Posts

সাধক কমলাকান্ত ভট্টাচার্য : জীবনী বা জীবন কাহিনী / Sadhak Kamalakanta Bhattacharya Life Story or Biography

Image
This is about Sadhak Kamalakanta Bhattacharya Life Story ( সাধক কমলাকান্ত ভট্টাচার্য : জীবন কাহিনী ) or his biography (সাধক কমলাকান্ত ভট্টাচার্য : জীবনী) মহামায়া দেবী এবং মহেশ্বর ভট্টাচার্য --- মা ও বাবা ----- দুজনেই উপলব্ধি করেছিলেন, তাঁদের ছেলে কমলাকান্ত বড় হয়ে মহাপন্ডিত হবে, বংশের মুখ উজ্জ্বল করবে। কেন তাঁদের এমন ধারণা? এই কারণে যে, বাবার কাছে কমলাকান্ত যা পড়তেন, যা শুনতেন -- তা কখনো তিনি ভুলতেন না অর্থাৎ ছোট থেকেই কমলাকান্ত ছিলেন স্মৃতিধর ও শ্রুতিধর। তাছাড়া, তাঁর গানের গলাও ছিল অত্যন্ত সুমিষ্ট। উপরন্তু, বর্ধমানের তৎকালীন অম্বিকা-কালনা অঞ্চলের মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রতি তার অন্তরের টান বা ভালবাসা ছিল প্রগাঢ়। এই সমস্ত লক্ষণ গুলিকে মা-বাবা চিনতেন এবং জানতেন। কিন্তু দুঃখের কথা, বালক কমলাকান্তের সাফল্য দেখে যেতে পারেননি বাবা মহেশ্বর ভট্টাচার্য, কারণ কমলাকান্তের বাল্যবয়সেই তিনি মারা যান। স্বামীর মৃত্যুর পর মা মহামায়া দেবী তার দুই ছেলে --- কমলাকান্ত ও শ্যামাকান্ত ---- তাঁদেরকে নিয়ে অম্বিকা-কালনার স্বামী-শ্বশুরের ভিটেমাটি ছেড়ে সম্পূর্ণ সহায়সম্বলহীন অবস্থায় বাপের বাড়িতে গিয...

অতুলপ্রসাদ সেন ও নিষিদ্ধ সম্পর্কের গল্প / Atulprasad Sen Life Story on Forbidden Relationship

Image
Atulprasad Sen Life Story on Forbidden Relationship (অতুলপ্রসাদ সেন ও নিষিদ্ধ সম্পর্কের গল্প) is the essence of this article. It can be treated as the part of his biography (অতুলপ্রসাদ সেন জীবনী) যাঁর সম্পর্কে আজ কথা বলতে চাই, তাঁর সম্পর্কে বিখ্যাত বিশিষ্ট সংগীতজ্ঞ দিলীপ কুমার রায় একবার বলেছিলেন, মানুষের জীবনে গভীর দুঃখ, গভীর বেদনা ভালো, বেশ ভালো, যদি সেই দুঃখ বা বেদনা অন্ধকার আকাশে তারার মতো ‘ফুল’ ফোটাতে পারে। ‘ফুল’ অর্থে আপনারা নিশ্চয়ই বুঝতেই পারছেন, মহৎ কোন সৃষ্টির কথা বলেছেন শ্রদ্ধেয় দিলীপ কুমার রায়। যাঁর সম্পর্কে তিনি এই সুন্দর কথাটি বলেছিলেন, তিনি হলেন অতুলপ্রসাদ সেন যাঁর গান শোনেনি --- এমন বাঙালি একজনও নেই। তাঁর সেই বিখ্যাত গানগুলির কথা মনে পড়ে যায়: ‘উঠ গো ভারতলক্ষ্মী', ‘বল বল বল সবে শত বীনা বেনু রবে', অথবা ‘হও ধরমেতে ধীর, হও করমেতে বীর', কিংবা সেই অত্যাশ্চর্য গান, ‘মোদের গরব মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা’। তিনি হলেন, যাঁকে বলা হয়, গীতিকবি। তাঁর গানে একদিকে যেমন রয়েছে সংগীতের অপূর্ব সুষমা, তেমনি অন্যদিকে রয়েছে গানের কথায় অসাধারণ কাব্যরস। আসলে তিনি কখনোই কেবল...

ড. এপিজে আবদুল কালাম : জীবনের মোড় ঘুরিয়েছিলেন এক আশ্চর্য সন্ন্যাসী/ When Dr. A P J Abdul Kalam met Swami Shibananda Saraswati

Image
ড. এপিজে আবদুল কালাম : জীবনের মোড় ঘুরিয়েছিলেন এক আশ্চর্য সন্ন্যাসী / When Dr. A P J Abdul Kalam met Swami Shibananda Saraswati  আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন, ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি, ভারতের মিসাইল ম্যান শ্রদ্ধেয় ড এ পি জে আব্দুল কালাম স্যার রামেশ্বরমের এলিমেন্টারি স্কুলে যখন ক্লাস এইটে পড়তেন, তখনই তিনি জীবনের লক্ষ্য হিসাবে বেছে নিয়েছিলেন, তিনি পাইলট হবেন। আকাশে বিমান ওড়াবেন ।  নীল আকাশে তিনি পাখির মত উড়বেন ।   সেই অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য তিনি স্কুল জীবনের শেষে ফিজিক্স নিয়ে   ১৯৫০ সালে তিরুচিরাপল্লীর সেন্ট জোসেফ কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন। ১৯৫৪  সালে ফিজিক্সে   স্নাতক হলেন। তখন তাঁর সামনে দুটো পথ খোলা ছিল। এক. মাদ্রাস ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয়ে ফিজিক্স নিয়ে হায়ার এডুকেশনে এগিয়ে যাওয়া । আর দুই. ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তি হওয়া ।   আব্দুল কালাম স্যার নিজেই বলেছেন , যেহেতু তাঁর স্বপ্ন ছিল বিমানের পাইলট হওয়া, তিনি তাই ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সকেই বেছে নিয়েছিলেন।   ভর্তি হয়েছিলেন এমআইটিতে অর্থাৎ মাদ্রাজ ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে। তখন নিয়ম ...

শ্রদ্ধার্ঘ্য : তরুণ মজুমদার : অসামান্য জীবনী / Tribute to Tarun Majumdar : Biography / Life Story

Image
অবিভক্ত পূর্ববঙ্গের এক সাবেক ছোট্ট শহর, বগুড়া --- সেখানেই মধ্যবিত্ত এক ছাপোষা পরিবারে ১৯৩১ সালের ৮ই জানুয়ারিতে তাঁর জন্ম হয়েছিল। ছেলেবেলা কেটেছে সেই ছোট্ট শহরেই। সে সময়ে সেই শহরে দুটো সিনেমাহল ছিল। কলকাতা বা বোম্বের ছবি সেখানে বেশ চালানো হতো, সেসব ছবি তিনি বুঁদ হয়ে দেখতেন। সিনেমা হলে গিয়ে ছবি দেখার ক্ষেত্রে বাড়িতে কিন্তু বড়দের কোন বাঁধানিষেধ ছিল না। সেই সিনেমা হলগুলোতেই তিনি প্রথম চার্লি চ্যাপলিনের ছবি দেখেছিলেন। সেসব সিনেমা দেখতে দেখতেই নিজেরেই অজান্তে সিনেমার প্রতি তার একটা অদম্য টান তৈরি হয়েছিল। ১৯৪৫ সাল। দেশভাগের দুবছর আগেই মাত্র ১৪ বছর বয়সে তিনি চলে আসেন এপার বাংলায়। কলকাতার সেন্ট পলস কলেজে তিনি ভর্তি হয়েছিলেন। সেন্ট পলস থেকে আই এস সি পরীক্ষায় পাশ করার পর, স্কটিশ চার্চ কলেজে তিনি কেমিস্ট্রিতে অনার্স নিয়ে ভর্তি হলেন, এবং সেখান থেকেই গ্রাজুয়েশন করলেন। # এদিকে, পড়াশোনার পাশাপাশি চলচ্চিত্রের প্রতি তার টান উত্তরোত্তর বাড়তেই থাকল। একসময় মেট্রো সিনেমার গলিতে প্রায় রোজই যাতায়াত করে সাইক্লোস্টাইলে ছবির স্ক্রিপ্ট তৈরি করা মন দিয়ে শিখলেন। তারপরেই একদিন তিনি বাড়ির বড়দ...

গুরুসদয় দত্ত : ব্রতচারী প্রতিষ্ঠাতার জীবনী / Gurusaday Dutta : Biography of Bratachari Founder

Image
  This Bengali article deals with the Biography of Gurusaday Dutt or Dutta ( গুরুসদয় দত্ত ), the founder of Bratachari Movement. It's really an unbelievable life story ( জীবনকাহিনী ). ১৯২৮ সালের ২৮শে মার্চ। বামুনগাছি লোকো কারখানার গেটে অনেক শ্রমিক সেদিন জড়ো হয়ে ধর্মঘটে সামিল হয়েছিলেন । ‌ তাদের দাবি ছিল একটাই, মাইনে বাড়াতে হবে । কিন্তু সেই আন্দোলনরত শ্রমিকদের উপরে আচমকা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ব্রিটিশ পুলিশ বাহিনী। পুলিশের গুলিতে ৪ জন শ্রমিকের মৃত্যু হল, আহত ৫০ জনেরও বেশি। তখন জেলাশাসক ছিলেন একজন ভারতীয় আইসিএস অফিসার । তিনিই সেই নৃশংস ঘটনার তদন্তভার নিয়েছিলেন। তদন্ত শেষে তিনি Mr. Sturgis এবং Mr. Cristi – এই দুই ইংরেজ অফিসারকে দোষী সাব্যস্ত করেন । ব্রিটিশ শাসনাধীন ভারতবর্ষে ব্রিটিশদের দোষী সাব্যস্ত করছেন একজন ভারতীয় আইসিএস অফিসার--- এটা ব্রিটিশদের পক্ষে হজম করাটা খুব শক্ত ছিল ।  ফলাফল  হিসাবে দেখা গেল যে, অচিরেই সেই ভারতীয় অফিসারের হাওড়া থেকে ময়মনসিংহে বদলি ।   সেদিনের কর্তব্যপরায়ন সেই ভারতীয় আইসিএস অফিসারটির নাম গুরুসদয় দত্ত । #  গুরুসদয় দত্ত :...